Join Telegram Join Facebook বাংলা রচনা
সাহিত্যের ইতিহাস সাজেশান Question-Paper
WBCS স্কুল নোটস ইতিহাস

সুয়েজখালে : হাঙ্গর শিকার স্বামী বিবেকানন্দ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | Suej Khale Hangar Shikar By Swami Vivekananda MCQ SAQ PDF

সুয়েজখালে : হাঙ্গর শিকার স্বামী বিবেকানন্দ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | Suej Khale Hangar Shikar By Swami Vivekananda MCQ SAQ PDF

একাদশ শ্রেণির পাঠ্য একটি গদ্য হলো স্বামী বিবেকানন্দের 'সুয়েজ খালে হাঙর শিকার'। এই রচনা থেকে গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর এখানে দেওয়া হলো। অন্যান্য পাঠের প্রশ্ন উত্তর দেখার জন্য উত্তরের নিচের  লিংকে ক্লিক করুন।

 





উৎস : ‘পরিব্রাজক’ গ্রন্থ। এই গ্রন্থের লেখাগুলি প্রথমে ‘উদ্বোধন’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। ‘উদ্বোধন’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন—স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ।



মান = ১

নির্বাচনধর্মী প্রশ্ন


প্রশ্ন—সুয়েজ বন্দরের তিন দিকে কী আছে?

[] বালির ঢিপি ও পাহাড়।

প্রশ্ন—কোন মাছ দেখে লেখকের হাঙরের বাচ্চা বলে মনে হয়েছিল?

[] বনিটো মাছ দেখে।

প্রশ্ন—সুয়েজ খালের কুলি জাহাজ ছুঁতে পারবে না কেন?

[] জাহাজের যাত্রীদের কারো কারো প্লেগের ছোঁয়াচের সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রশ্ন—‘মিসরী আদমীকে ছুঁলেই আবার দশদিন আটক’—কারণ কী?

[] জাহাজের যাত্রীদের দশদিন আটকে না রাখলে বোঝা যাবে না তাঁর সংস্পর্শে আসা মিসরীদের প্লেগ হয়েছে কিনা।

প্রশ্ন—‘সেদিন আমার খাওয়া দাওয়ার দফা মাটি হয়ে গিয়েছিল’—কেন?

[] জাহাজের সবকিছুতেই হাঙ্গরের গন্ধ হয়েছিল।

প্রশ্ন—আমেরিকার আদিম নিবাসীরা এখনো ইন্ডিয়ান নামে অভিহিত”—কারণ কী?

[] কারণ আমেরিকায় পৌঁছেও কলম্বাসের ধারণা ছিল তিনি ভারতবর্ষে পৌঁছেছেন।

প্রশ্ন—‘ভারতের আর তত কদর নাই’—কারণ?

[] আমেরিকা প্রভৃতি দেশে ভারতের জিনিসপত্র ভারতের থেকে ভালো তৈরি হচ্ছে।

প্রশ্ন--জাহাজের খালাসিদের আপদ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

[] কারণ খালাসিরাই কুলি হয়ে ক্রেনে করে মাল তুলে সুয়েজি নৌকায় ফেলছে।

প্রশ্ন--'স্বর্গে ইঁদুর বাহন প্লেগ পাছে ওঠে'--স্বর্গ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

[] ইউরোপ।

প্রশ্ন--লেখক যে জাহাজে ছিলেন তা রাতে সুয়েজ খাল পার হতে পারেনি কেন?

[] বিজলি বাতির অভাবে।

প্রশ্ন--লেখক কোন মাছদের হাঙর চোষক বলেছেন?

[] যে মাছগুলি হাঙরের আশেপাশে থাকে এবং খাদ্যের অবশিষ্ট যারা খায়।

প্রশ্ন--কার উৎসাহে হাঙর ধরার উপকরণ জোগাড় হয়েছিল?

[] সেকেন্ড ক্লাসের এক ফৌজীর উৎসাহে।

প্রশ্ন--আড়কাটী মাছ বলতে লেখক কোন মাছ বুঝিয়েছেন?

[] পাইলট ফিস, যারা হাঙরকে শিকার দেখিয়ে দেয়।

প্রশ্ন--হাঙরদের ভাষা থাকলে কে কাকে সাবধান করে দিত?

[] বাঘা হাঙর থ্যাবড়া মুখো হাঙরকে সাবধান করত, যাতে মানুষের টোপে ধরা না দেয়।

প্রশ্ন--'আহা! ও লোভ কী ছাড়া যায়'--কীসের লোভ?

[] শুয়োয়ের মাংসের লোভ।

প্রশ্ন--সুয়েজ খাল কে খনন করেন?

[] ফর্ডিনেন্ড লেসেন্স।

প্রশ্ন--সুয়েজ কী কী সাগরকে যুক্ত করেছে?

[] ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর।

প্রশ্ন--সুয়েজখাল কে সংস্কার করেন?

[] আমুন্ডসেন।

প্রশ্ন--রেড-সি পার হয়ে কবে সুয়েজখালে পৌঁছেছিলেন লেখক?

[] ১৪ জুলাই।

প্রশ্ন--স্বামীজী যখন সুয়েজখালে পৌঁছান তখন কোন রোগের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল?

[] প্লেগ রোগের।

প্রশ্ন--সুয়েজখালের জলে কোন প্রাণীরা ভেসে বেড়ায়?

[] হাঙর।

প্রশ্ন--প্রচুর পরিমাণে হাঙর দেখা যায় কোথায়?

[] অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বন্দরে এবং সুয়েজবন্দরে।

প্রশ্ন--মানুষের জাত ক্রোধ কোন কোন প্রাণীর উপরে?

[] সাপ ও হাঙর।

প্রশ্ন--উনি শুটকি রূপে আমদানি হন--উনি কে?

[] বনিটো মাছ।

প্রশ্ন--বনিটো কোথা থেকে আমদানি হয়?

[] মালদ্বীপ থেকে।

প্রশ্ন--বনিটোর মাংস কেমন?

[] লাল এবং খুবই সুস্বাদু।

প্রশ্ন--হাঙর মাছকে টানার জন্য কতজন প্রস্তুত ছিল?

[] ৪০-৫০ জন।

প্রশ্ন—বাঘের মত কালো কালো ডোরা কাটা মাছটা ছিল?

[] বাঘা হাঙর।

প্রশ্ন--'আগে যান ভগীরথ শঙ্খ ধ্বনি বাজায়ে'--এখানে ভগীরথ কে?

[] পাইলট ফিস।

প্রশ্ন--পাছুপাছু যান গঙ্গা--এখানে গঙ্গা বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

[] থ্যাবড়া মুখো হাঙরকে।

প্রশ্ন--'আহা কী নিষ্ঠুর'--একথা কারা বলেছে?

[] জাহাজের মহিলা যাত্রীরা।

প্রশ্ন--এখন বর্তমানে সুয়েজ কাদের দখলে আছে?

[] ফরাসিদের।[বর্তমানে বলতে লেখকের সমকালে]

প্রশ্ন--গোরা আদমি বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?

[] ব্রিটিশদের।

প্রশ্ন--সুয়েজ খালের স্থপতির নাম লেখ?

[] ফর্ডিনেন্ড লেসেন্স।

প্রশ্ন—জাহাজ সুয়েজ বন্দরে থেমেছিল কেন?

[] সুয়েজ বন্দরে মাল নামানোর জন্য।

প্রশ্ন—হাঙর ও মানুষের সম্পর্ক বিষয়ে স্বামীজী কী জানিয়েছেন?

[] মানুষও বাগে পেলে হাঙরকে ছাড়ে না।

প্রশ্ন—স্বামিজীর মন ক্ষুন্ন হয়েছিল কোন কারণে?

[] স্বামীজী যখন হাজির হয়েছিলেন, তখন হাঙর একটু সরে গিয়েছিল অন্য স্থানে,

প্রশ্ন—জলজ্যান্ত হাঙর স্বামীজী পূর্বে দেখেননি কেন?

[] কারণ আগেরবার জাহাজ সুয়েজ বন্দরে বেশিক্ষণ থামেনি।

প্রশ্ন—‘গদাইলস্করি চাল’, ‘বিভীষণ মাছ’, ‘ইনি সাঙ্গ-পাঙ্গ হাঙর’—ইত্যাদি বিশেষণ কোন মাছ সম্পর্কে?

[] থ্যাবড়া-মুখো হাঙর সম্বন্ধে।

প্রশ্ন—হাঙর-চোষক মাছ কোনগুলি?

[] যে মাছগুলি হাঙরের পিঠে চড়ে বসছিল।

প্রশ্ন—মাছ ধরার বড়শি জোগাড় করেছিলেন কে?

[] সেকেন্ড ক্লাসের একজন ফৌজি।

প্রশ্ন—হাঙরের কী নেই বলা হয়েছে?

[] ভাষা।

প্রশ্ন—আড়কাটী মাছের কাজ কী?

[] হাঙরকে শিকার দেখানো।

প্রশ্ন—হাঙরের নাম কী কী ছিল?

[] প্রথম : বাঘা

দ্বিতীয় : থেবড়া।

প্রশ্ন—ভারতের নতুন পথ কারা আবিষ্কার করেছিল?

[] পোর্তুগিজরা।

প্রশ্ন—ফাতনা হিসেবে কী ব্যবহার করা হয়েছিল?

[] একটা মস্ত কাঠ।

প্রশ্ন—গদাইলস্করি চাল’ কথার অর্থ কী?

[] ধীর গতিতে চলা।

প্রশ্ন—সুয়েজ বন্দরে কোন মাছ ঝাঁকে ঝাঁকে বেড়াচ্ছিল?

[] গাঙধারা মাছ।

প্রশ্ন—‘গোপীমণ্ডলমধ্যস্থ কৃষ্ণ’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

[] থ্যাবড়া মুখো হাঙরকে।

প্রশ্ন—হাঙরকে ঘায়েল করতে কী ব্যবহার করা হয়েছিল?

[] একড়া কড়িকাঠ।

প্রশ্ন—সুয়েজ বন্দরে তখন কোন রোগের প্রকোপ ছিল?

[] প্লেগ রোগের।

প্রশ্ন—সুয়েজের কুলি জাহাজ ছুঁতে পারবে না কেন?

[] কারণ প্লেগ রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।

প্রশ্ন—হাঙরের লেজের ঝাপটায় কীসের ঠ্যাঙ ভেঙে যায়?

[] ঘোড়ার ।

প্রশ্ন—সুয়েজের কোন জিনিস স্বামীজীকে খুশি করেছিল?

[] বনিটো মাছের গতি।

প্রশ্ন—বেদে সিন্ধু নদের কটি নাম পাওয়া যায়?

[] দুটি।

প্রশ্ন—‘কুয়োর ঘটি তোলার ঠাকুরদাদা’—কীসের সম্পর্কে বলা হয়েছে?

[] হাঙর ধরার বড়শি সম্বন্ধে।

প্রশ্ন—লেখক জিজ্ঞাসা করে কী জেনেছিলেন?

[] লেখক যাকে হাঙরের বাচ্চা মনে করেছিলেন, তা আসলে বনিটো মাছ।

প্রশ্ন—কোন প্রাণীকে ‘লবণসমুদ্রজন্মা’ বলা হয়েছে?

[] হাঙর মাছকে।

প্রশ্ন—নিয়ার্কুস কে?

[] সিকন্দর শা-এর সেনাপতি।

------------------------------------------

একাদশ শ্রেণির অন্যান্য পাঠের প্রশ্ন উত্তর

------------------------------------------


সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন




প্রশ্ন--'এটি রাজনৈতিক মীমাংসা'- কোন বিষয়কে রাজনৈতিক মীমাংসা বলা হয়েছে?

[] স্বামীজী জানিয়েছেন, সুয়েজখাল কোম্পানির অধিকাংশ শেয়ার ইংরেজদের হাতে থাকলেও এ খালের সমস্ত দায়দায়িত্ব ফরাসিরা পালন করে থাকে। এটাই ছিল ইংরেজ ও ফরাসিদের রাজনৈতিক মীমাংসা।

প্রশ্ন--'তাই থেকে ইন্ডিয়া ইন্ডিয়ান'--কোন প্রসঙ্গে একথা বলা হয়েছে?

[] স্বামীজী জানিয়েছেন, বেদে সিন্ধু নদের যে নাম ছিল তাকে ইরানিরা বলত 'হিন্দু', গ্রিকরা বলত 'ইন্দুস'। এবং তা থেকে পরবর্তীকালে 'ইন্ডিয়া' 'ইন্ডিয়ান' কথাটি এসেছে।

প্রশ্ন--বেদে সিন্ধু নদের কী কী নাম পাওয়া যায়?

[] সিন্ধু ও ইন্দু।

প্রশ্ন--সেই জন্যেই আমেরিকায় আদিম নিবাসীরা এখনও ইন্ডিয়ান নামে অভিহিত--তারা ইন্ডিয়ান নামে অভিহিত কেন?

[] ভারত আবিষ্কারে বেরিয়ে কলম্বাস উত্তর আমেরিকায় পৌঁছান। এবং সেখানকার অধিবাসীদের 'রেড ইন্ডিয়ান' বলে অভিহিত করেন। এরাই এখনও ঐ একই অভিধায় অভিহিত হয়।

প্রশ্ন--রোম ধ্বংসের পর কোন কোন শহর ভারতীয় বাণিজ্যের পাশ্চাত্য কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল?

[] তিনটি শহর কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল- বাগদাদ, ইতালির ভেনিস এবং জেনোয়া।

প্রশ্ন--ভারতের বাণিজ্যের উপর কোন কোন দেশ নির্ভর করত?

[] পাঠ্যাংশে উল্লিখিত দেশগুলি হোল- বাবিলন, ইরান, রোম ও গ্রিস।

প্রশ্ন--'এই বাণিজ্য দুটি প্রধান ধারায় চলত'-- ধারা দুটি কী?

[] একটি স্থলপথে আফগানি, ইরানি দেশ হয়ে।

[] অন্যটি জলপথে রেড-সি হয়ে।

প্রশ্ন--কোন সকল জিনিসের জন্য বিভিন্ন দেশ ভারতের উপর নির্ভর করত?

[] প্রাচীনকাল থেকেই ভারতের উপর অন্যদেশগুলি কিছু কিছু জিনিসের উপর নির্ভর করত। যেমন- সুতি কাপড়, তুলা, পাট, নীল, লাক্ষা, ভাল, হিরে, মতি প্রভৃতি।

প্রশ্ন--সুয়েজ খাল খনন করার ফলে কী কী সুবিধা হয়েছে?

[] ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর যুক্ত করার ফলে ইউরোপ ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ সুগম হয়েছিল।

প্রশ্ন--'সচকিত নয়নং পশ্যতি তব পন্থানং' -- এর অর্থ লেখ।

[] গীতগোবিন্দ থেকে নেওয়া এই শ্লোকটির অর্থ হলো, সচকিত চোখে তোমার প্রতিক্ষায় তাকিয়ে আছি।

প্রশ্ন--'সচকিত নয়নং পশ্যতি তব পন্থানং' -- প্রসঙ্গ লেখ।

[] ফৌজী যখন হাঙর ধরার জন্য বড়শিতে মাংসের টোপ লাগিয়ে ফাতনাটাকে দূরে ফেলবার পর জাহাজের যাত্রীরা উদ্গ্রীব হয়ে হাঙরের প্রতীক্ষায় ছিল।

প্রশ্ন--হাঙরের নাম বিভীষণ রাখার কারণ কী ছিল?

[] হাঙর মাছের গম্ভীর চালে চলার কারণে তাকে বিভীষণ আখ্যা দিয়েছিলেন।

প্রশ্ন--বনিটো মাছ দেখে স্বামীজী খুশি হয়েছিলেন কেন?

[] বনিটো মাছের মধ্যে রয়েছে প্রবল গতি ও তেজ। তাই এই মাছ দেখে স্বামীজী খুশি হয়েছিলেন।

প্রশ্ন--কারাঁটিন কী?

[] কারাঁটিন আসলে ইংরেজি শব্দ কোয়ারেন্টাইন (Quarantine)। আলোচ্য পাঠ্যাংশে সংক্রামক ব্যাধি নিবারণের জন্য মেলামেশি বন্ধ করার নির্দেশনামা বোঝাতে কথাটি ব্যবহার করেছেন।

প্রশ্ন—সকালবেলা খাবার-দাবার আগে কী শোনা গিয়েছিল?

[] স্বামী বিবেকানন্দের ‘সুয়েজখালে : হাঙ্গর শিকার’ প্রবন্ধে লেখক জানিয়েছেন, সুয়েজ বন্দরে যখন জাহাজ দাঁড়িয়েছিল তখন সকালের খাবারের আগেই শোনা যায় যে জাহাজের পিছনে বড়ো বড়ো হাঙর ভেসে বেড়াচ্ছে।

প্রশ্ন—কোন কোন দেশ সুয়েজ খালের মাধ্যমে বাণিজ্য করে?

[] ভারত, বাবিলন, ইরান, গ্রিস, রোম প্রভৃতি দেশ।

প্রশ্ন—‘আহা ও লোভ কি ছাড়া যায়?’—কীসের লোভ?

[] বড়ো বড়শিতে গাঁথা মাংসের টোপের লোভের কথা এখানে বলা হয়েছে।

প্রশ্ন—সুয়েজ বন্দরটি দেখতে কেমন?

[] প্রবন্ধে স্বামীজী জানিয়েছেন সুয়েজ বন্দরটি অতি চমৎকার। এই প্রাকৃতিক বন্দরের তিনদিকে বালির ঢিপি আর পাহাড়।

প্রশ্ন—সুয়েজ বন্দরে জাহাজকে ২৪ ঘন্টা থাকতে হবে কেন?

[] সুয়েজের লোক ছাড়া জাহাজ্জে বিজলি বাতি পরাতে অপারগ। আবার স্পর্শের কারণে তারা আলো পরাতে পারবে না। এইকারণে লেখকদের জাহাজকে সুয়েজে থাকতে হবে।

প্রশ্ন—জাহাজের নিচে পুলিশের নৌকা থাকার কারণ কেন?

[] জাহাজের নিচে পুলিশের নৌকা থাকার কারণ হলো—ডাঙার মানুষজনের সঙ্গে সুয়েজখালে পৌঁছানো জাহাজের যাত্রীদের যেন কোনোরকম ছোঁয়াছুঁয়ি না হয়, তার দেখভাল করা।

প্রশ্ন—আরব মিঞাকে ডাকা হয়েছিল কেন?

[] কারণ হাঙর ধরার কাঠের ফাতনাটিকে দূরে সরিয়ে ফেলবার জন্যে।

প্রশ্ন—সেদিন স্বামীজীর খাওয়া দাওয়ার দফা মাটি হয়ে গিয়েছিল কেন?

[] জাহাজে হাঙর শিকারের দিন স্বামীজীর খাওয়া দাওয়া মাটি হয়েছিল। কেননা, সব জিনিসেই তিনি সেই হাঙরের গন্ধ অনুভব করছিলেন।

প্রশ্ন—স্বামিজি কোন প্রসঙ্গে ‘সখি শ্যাম না এলো’ কথাটি বলেছেন?

[] হাঙর শিকারের জন্য জাহাজের যাত্রীরা সবাই উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছিল। এবং সেই প্রসঙ্গেই হাঙরকে কৃষ্ণের সঙ্গে তুলনা করে এমন কথা বলেছিলেন।

প্রশ্ন—গোপীমণ্ডলমধ্যস্থ কৃষ্ণের ন্যায় দোল খাচ্ছে’ বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন?

[] হাঙর ধরবার জন্যে ব্যবহৃত শুয়োরের মাংস কালো প্রকাণ্ড বড়শিতে বাঁধা ছিল। সেই দৃশ্য দেখে স্বামীজী এমন বলেছিলেন।

প্রশ্ন—তাও শোনা আছে’—স্বামীজীর কী শোনা ছিল?

[] হাঙরের বাচ্চা মতো দেখতে বনিটো মাছের মাংস লাল আর খেতে সুস্বাদূ—একথা স্বামীজী জানতেন।

প্রশ্ন—‘তাই দশদিনের আটক’—কেন?

[] স্বামীজী জানিয়েছেন, প্লেগের বিষ একবার দেহে প্রবেশ করলে তা দশদিনের মধ্যে ফুটে বের হয়। এ বিষয়ে নিশ্চিন্ত হতে দশ দিনের জন্য আটক রাখা হয়।

প্রশ্ন—কারা হাঙরের গায়ের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকে?

[] স্বামীজী হাঙর-চোষক মাছ সম্বন্ধে বলতে গিয়ে বলেছেন, তারা হাঙ্গরের গায়ের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকে।

প্রশ্ন—‘পাছু পাছু যান গঙ্গা’—এমন বলা হয়েছে কেন?

[] সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে থ্যাবড়া-মুখো হাঙ্গরকে আসতে দেখে স্বামীজী এমন বলেছেন। পাইলট ফিস যেন ভগীরথের মতো গঙ্গা-রূপী হ্যাবড়া-মুখো হাঙ্গরকে পথ দেখিয়ে নিয়ে আসছিল। এবং সেই প্রসঙ্গেই স্বামীজী এমন বলেছেন।

প্রশ্ন—অনাদিকাল থেকে বাণিজ্য-শিল্পে কারা উন্নত?

[] ভারতবর্ষ অনাদিকাল বাণিজ্যে-শিল্পে উন্নত।

প্রশ্ন—মিসরি আদমিকে ছুঁলে কোথায় লোক নামানো হবে না?

[] নেপলস্‌ ও মার্সাই বন্দরে।

প্রশ্ন—হাঙর ধরার বড়শিটি কেমন ছিল?

[] বড়ো মাপের একটা বড়শি সেকেন্ড ক্লাসের ফৌজি জোগাড় করেছিলেন। বড়শি সম্পর্কে স্বামীজী বলেছেন, বড়শিটি ‘কুয়োর ঘটি তোলার ঠাকুরদাদা’।

প্রশ্ন—কে ‘মানুষের ধাত’ পেয়েছে?

[] স্বামীজীর মতে বাঘা হাঙরটি মানুষের ধাত পেয়েছে।

প্রশ্ন—‘উলটো উৎপত্তি’—এর কারণ কী?

[] থ্যাবড়া হাঙর যখন টোপ মুখ থেকে বের করতে গিয়েছিল, তখন বড়শি বিঁধে গিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে একথা বলেছেন লেখক।

প্রশ্ন—হাঙরটিকে মারার সময় মহিলা যাত্রীরা কী বলেছিল?

[] মহিলারা বলেছিলেন—‘আহা কি নিষ্ঠুর ! মেরো না !’

প্রশ্ন—রক্তের নদী বইবার কারণ কী?

[] জাহাজে হাঙরটিকে তুলে তার পেট চিরে ফেলা হলে রক্তের স্রোত বইছিল।



-----------------------------------------

একাদশ শ্রেণির বাংলার অন্যান্য পোস্ট

------------------------------------------

একাদশ শ্রেণির অন্যান্য পাঠের প্রশ্ন উত্তর

------------------------------------------







Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url