Join Telegram Join Facebook বাংলা রচনা
সাহিত্যের ইতিহাস সাজেশান Question-Paper
WBCS স্কুল নোটস ইতিহাস

গুরু নাটকের বড়ো প্রশ্ন রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | Guru Natok By Rabindranath Tagore Long Question Answer pdf download



গুরু নাটকের বড়ো প্রশ্ন রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর  | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  |  Guru Natok By Rabindranath Tagore Long Question Answer pdf download










একাদশ শ্রেণি 'সাহিত্যচর্চা' (বাংলা বই) গ্রন্থের নতুন পাঠক্রমে  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে 'গুরু' (১৯১৭ সাল) নাটকটি "পূর্ণাংগ সহায়ক গ্রন্থ" হিসেবে পাঠ্য। এই অংশ থেকে পরীক্ষায় তিনটি প্রশ্নের মধ্য থেকে দুটি প্রশ্নের উত্তর তোমাদের লিখতে হয়।  এখান থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন না আসলেও তোমাদের নাটকটি বেশ মন দিয়ে পড়া উচিত। একটি প্রশ্নের যথাযত উত্তর লিখতে গেলে মূল পাঠ্য অংশ পড়তে হয়। যাইহোক এখানে কয়েকটি নমুনা প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো।




এই প্রশ্নগুলি রয়েছে(toc)







[১] ‘গুরু’ নাটকে মোট কটি সংগীত রয়েছে? নাটকটিতে সংগীতের ভূমিকা আলোচনা করো। [২০১৯][২০২২]


[উ ] 

(১.১) মোট সংগীত : একটানা কাহিনির মধ্যে সংগীত আনা হয় দর্শকের মন তৃপ্তি করার জন্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘গুরু’ নাটকে সাতটি সংগীত বিন্যাস্ত করা হয়েছে। যদিও 'অচলায়তন' নাটকে গানের সংখ্যা ছিল তেইশ।

(১.২) নাটকে সংগীতের ভূমিকা : গুরু নাটকে পঞ্চকের কন্ঠে গীত হয়েছে পাঁচটি গান। নাটকের শুরুতে পঞ্চক গেয়েছে, 'তুমি ডাক দিয়েছ কোন সকালে কেউ তা জানে না।' এই গানটি গুরু নাটকে চারবারে ভেঙে ভেঙে ব্যবহার করা হয়েছে। পঞ্চকের দ্বিতীয় গান ‘ওরে ওরে ওরে আমার মন মেতেছে’। এই গানে পঞ্চক জানিয়েছে, তার মন মুক্তির আনন্দে আপ্লুত হয়েছে। পরে পঞ্চকের কণ্ঠে গীত হয়েছে এই গানটি— 'ওরে ভাই নাচ রে ও ভাই নাচ রে'। 'গুরু' নাটকের দ্বিতীয় দৃশ্যে পঞ্চক গেয়েছে ‘এ পথ গেছে কোন্‌খানে গো কোন্‌খানে'। পঞ্চক তার পথের সন্ধান করেছে নিসর্গ প্রকৃতির মধ্যে।

যূনকদের দুটি গান রয়েছে ‘গুরু’ নাটকে। এই গানদুটি হলো—ক) আমরা চাষ করি আনন্দে। খ) সব কাজে হাত লাগাই মোরা। এই দুটি গানে কর্মমুখর জনতার কথা আছে। রবীন্দ্রনাথ ‘ওরা কাজ করে’ কবিতায় যাদের ‘ওরা' বলে চিহ্নিত করেছেন, তারাই হলো যূনক।

দর্ভকরা সমবেতভাবে গেয়েছে ‘ও অকুলের কুল ও অগতির গতি'। এই গানের মধ্যে রয়েছে অকৃত্রিম অনুরাগ ও ভক্তি।

নাটকের শেষে গুরুকে প্রদক্ষিণ করে যূনক ও দর্ভক সবাই মিলে গেয়েছে—

ভেঙেছে দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়

তোমারি হউক জয়।

তিমির-বিদার উদার অভ্যুদয়

তোমারি হউক জয়।

এই গানে বন্ধন মুক্তির কথা বলা হয়েছে। এককথায় ঘটনা, চরিত্র, নাট্যব্যঞ্জনায় ‘গুরু’ নাটকের প্রতিটি গান হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ।



[২] 'গুরু' নাটক অবলম্বনে ‘গুরু’ চরিত্রের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।


[উ] 

গুরু চরিত্রের স্বরূপ :

‘গুরু’ নাটকটি ভাবপ্রধান। এখানে শাস্ত্র-আচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মিথ্যা সংস্কার শুধু মানুষকে ভ্রান্তির পথে নিয়ে যায়—এই বিষয়টি বোঝাতে গুরু চরিত্রের প্রয়োজন ছিল। এই চরিত্রটির স্বরূপ বিশ্লেষণে কতকগুলি বিষয় উঠে আসে। যেমন—

প্রথমত।। সংস্কারবিরোধী চরিত্র

অচলায়তনের সবার কাছে গুরু হলেন পূজনীয়। তিনি সবার ঊর্ধ্বে। অচলায়তনের প্রায় প্রত্যেকেই হাজারতর সংস্কার মানে। কিন্তু গুরু সংস্কার মুক্ত। তিনি সংস্কার থেকে মানুষকে টেনে আনেন মানবতার বেদীতলে।

দ্বিতীয়ত ৷৷ শিক্ষার্থীর চোখে

শিক্ষার্থীদের চোখে গুরু হলেন, অখণ্ড শক্তি। তাঁকে সমস্ত শিক্ষার্থী মান্য করে। অচলায়তনের সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করে। তাই গুরুর আগমনের জন্যে সবার আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। যেমন— জয়োত্তম বলেছে, 'আরে ছুঁয়ো না; এ-সব মাঙ্গল্য। গুরুর জন্যে সিংহদ্বার সাজাতে চলেছি।'

তৃতীয়ত৷৷ জ্ঞানবাদী মহাপঞ্চকের চোখে

জ্ঞানবাদী মহাপঞ্চক মনে করেন, সংস্কারের মধ্যেই রয়েছেন গুরু। তাই বিদ্যায়তনের মধ্যে অর্থহীন আচারকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মহাপঞ্চক। তাঁর ভাই পঞ্চককে তিনি চিহ্নিত করেছিলেন, ‘পাষণ্ড’ রূপে। কেননা, সে প্রাচীর ডিঙিয়ে যূনকদের সঙ্গে মিশেছিলো।

চতুৰ্থত৷৷ কর্মবাদী যূনকদের চোখে

কর্মবাদী যূনকরা অচলায়তনের বাইরে বাস করত। তারা কর্ম পাগল। তারা দর্ভকপল্লিতে থাকে। তারা কর্মের মাঝখানে দাদাঠাকুরকে পেয়েছিল।

পঞ্চমত৷৷ ভক্তিবাদী দর্ভকদের চোখে

ভক্তিবাদী দর্ভকদের চোখে গুরু হলেন সবার উপরে। তারা গুরুকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন। তাদের কাছে অন্য কোনো সংস্কার ছিল না। তারা গুরুর কাছেই সর্বস্ব অর্পণ করেছিল।

ষষ্ঠত ৷৷ পঞ্চকের চোখে

পঞ্চকের চোখে গুরু হলেন সহজ আনন্দের প্রতীক। তার কাছে গুরু সমস্ত সংস্কারের ঊর্ধ্বে। তিনি মানুষকে সংস্কার মুক্ত করেন।

সপ্তমত ৷৷ রবীন্দ্র-দৃষ্টিতে গুরু

রবীন্দ্রনাথ ‘গুরু’ চরিত্রকে বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছেন। কেননা, গুরু সংস্কার মানতেন না। তাঁর চরিত্রে জ্ঞান-কর্ম ও ভক্তির ত্রিবেণী সংগ্রাম সাধিত হয়েছে।



[৩] মহাপঞ্চকের সঙ্গে আচার্য অদীন পুণ্যের বিরোধ বাধল কেন? কে কোথায় অদীন পুণ্যের নির্বাসন দিলেন? [২০১৪]


[উ]
 
৩.১) মহাপঞ্চকের সঙ্গে আচার্য অদীন পুণ্যের বিরোধের কারণ

‘গুরু' নাটকের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ সরাসরি দুটি পক্ষ এনেছেন। একদিকে রয়েছে আচার সর্বস্বতা, অন্যদিকে তার বিরোধিতা। এখানে আমরা দেখেছি মহাপঞ্চক, উপাচার্য, উপাধ্যায় যে আচারকে পালন করতে বাধ্য করান তার বিধানদাতা হলেন আচার্য।

অচলায়তনের এই আচার্য হলেন অদীনপুণ্য। রক্ষণশীল প্রতিষ্ঠানের মাথার উপরে থাকা আচার্য এক সময় বুঝতে পারেন আশ্রমের বালকেরা শুধুমাত্র সংস্কার লালন করেছে; প্রকৃত শিক্ষা তারা গ্রহণ করেনি।

অচলায়তনের সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী সুভদ্র উত্তর দিকের জানালা খুলে মহাপাপ করেছে। তার একমাত্র খণ্ডন ‘মহাতামস ব্রত’ সাধন। মহাপঞ্চক আধি কর্মিক বর্ষায়ণ থেকে খুঁজে পেয়েছেন প্রায়শ্চিত্ত বিধির কথা।

এই বিধি অনুযায়ী সুভদ্রকে অন্ধকার ঘরে ছ-মাস থাকতে হবে। আচার্যের অভিমত হলো, সুভদ্রকে কোনো প্রায়শ্চিত্ত করার দরকার নেই এবং তার আশীর্বাদেরই সুভদ্রের পাপ খণ্ডন হবে। একথা শুনে এবং আচার্যের ব্যবহারের পরিবর্তন দেখে উপাধ্যায়, মহাপঞ্চক, উপাচার্য সকলেই বিস্মিত হন, অসন্তুষ্ট হন। রুষ্ট মহাপঞ্চক জানায়, তাঁর বুদ্ধিবিকার হয়েছে। তাকে আচার্য্য বলে গণ্য করাও চলে না।

৩.২) নির্বাসন স্থান

সুভদ্রকে মহাপঞ্চকের হাত থেকে উদ্ধার করে পঞ্চক ও আচার্য চলে যান। তার পরেই আসেন স্থবিরপত্তনের রাজা মন্থরগুপ্ত। মহাপঞ্চক অচলায়তনের সর্বনাশ প্রসঙ্গে জানায়, “আচার্য অদীনপুণ্য এ পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে দিচ্ছেন না”। এবং পরিশেষে রাজা মন্থরগুপ্ত আচার্যকে নির্বাসন দেন দর্ভকপাড়ায়। আয়তনের আচার্য করেন মহাপঞ্চককে।



[৪] “শুনেছি অচলায়তনে কারা সব লড়াই করতে এসেছে”।—শিক্ষায়তন কীভাবে অচলায়তনে পরিণত হয়েছিল? সেখানে কারা লড়াই করতে এসেছিল এবং কেন? [২০১৪][২০১৯]


[উ] 

৪.১) অচলায়তনের পরিণত হওয়ার কাহিনি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গুরু’ নাটকে কুসংস্কারে আচ্ছন্ন মানুষের বিজ্ঞান বিরোধী চিন্তা-চেতনার হাজারতর নিয়ম নীতিকে তুলে ধরা হয়েছে।

‘আয়তন’ হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে সংস্কার পালনই একমাত্র কথা। সেই সংস্কার শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করে, মনের কোনো উন্নতি সাধন করে না।

অচলায়তনের সর্বকনিষ্ঠ শিশু শিক্ষার্থী সুভদ্র উত্তর দিকের জানালা খুলে মহাপাপ করেছে। তাই তাকে অন্ধকার ঘরে আবদ্ধ থেকে ‘মহাতামস’ পালন করতে বলা হয়। স্বয়ং আচার্য এই কঠিন নিয়ম-নিষ্ঠাকে অস্বীকার করায় মহাপঞক বলেছে, “উনি আজ সুভদ্রকে বাঁচাতে গিয়ে সনাতন ধর্মকে বিনাশ করবেন”। এই বক্তব্যের মধ্যে চিন্তার সংকীর্ণতা বর্তমান।

সুভদ্রের পাপকর্মের বিচারক উপাধ্যায় কুলদত্তের ‘ক্রিয়া সংগ্রহ', ভরদ্বাজ মিশ্রের প্রয়োগ প্রভৃতি মুখস্থ রেখেছেন। ফলে আয়তনের দেওয়ালে গোলাকার, চতুষ্কোণ ইত্যাদি অঙ্কনের ফল কী হয়, তা তার ঠোঁটস্থ।

অচলায়তনের বালকরা নানারকম বিধিনিষেধ মানে। তাই তাদের কাকিনী সরোবরের নৈঋত কোণে ঢোঁড়াসাপের খোলস খুঁজে কালো ঘোড়ার লেজের শক্তগাছি চুল দিয়ে পুড়িয়ে ধোঁয়া করতে হয়। তাদের বিশ্বাস, পূর্বপুরুষেরা সেই ধোঁয়ার ঘ্রাণ নিতে আসবেন।

পঞ্চকের গানকে এখানে ‘সর্বনাশ’-এর ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আবার স্থবিরক সম্প্রদায়ের মন্ত্র পাওয়ার জন্য চণ্ডক নামক এক যূনকের শিরচ্ছেদ করতেও দ্বিধা করেন না স্থবিরক পত্তনের রাজা মন্থরগুপ্ত। এভাবেই সংস্কারের শাসন অচলায়তনে জন্ম দেয় অন্ধত্ব ও ঔদ্ধত্যের, যা প্রাণের বিকাশকে ব্যাহত করে। এবং এভাবেই ‘শিক্ষায়তন’ ‘অচলায়তন’এ রূপান্তরিত হয়েছিল।

৪.২) কারা লড়াই করতে এসেছিল

অচলায়তনে গুরু আসবার কথা। কিন্তু খবর এসে পৌঁছোয় শত্রুসৈন্য অচলায়তনের প্রাচীন ভেঙে লড়াই করতে এসেছে। যোদ্ধার বেশে প্রবেশ করেন দাদাঠাকুর। তিনি জানিয়ে দেন—তিনিই গুরু। সঙ্গে অসংখ্য যূনক সৈন্য।

৪.৩) কেন লড়াই করতে এসেছিল

দাদাঠাকুর এবং যূনকবাসী লড়াই করে সংস্কারের প্রাচীরকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। যে সংস্কার শুধু মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়, মানুষের মূল্যবোধকে মিশিয়ে দেয় মাটির সঙ্গে—সেই সংস্কারকে রবীন্দ্রনাথ অস্বীকার করেছেন। তাই দাদাঠাকুর অস্ত্র হাতে এসেছিলেন।



[৫] “ও আজ যেখানে বসেছে সেখানে তোমাদের তলোয়ার পৌঁছায় না”।–কার সম্পর্কে, কে একথা বলেছেন? এ বক্তব্যের তাৎপর্য কী? [২০১৪] [২০১৮]


[উ] 

৫.১) কার সম্পর্কে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রণীত ‘গুরু’ নামাঙ্কিত নাটকে মহাপঞ্চক সম্বন্ধে এই বক্তব্য।

৫.২) বক্তা

উদ্ধৃত বক্তব্যটি এই নাটকের মূল চরিত্র দাদাঠাকুর করেছেন।

৫.৩) এই বক্তব্যের তাৎপর্য

রবীন্দ্রনাথের ‘গুরু’ নাটকে দাদাঠাকুর যে কথাগুলি বলেছেন তা মূলত রবীন্দ্রনাথেরই কথা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর নাটকে সন্ন্যাসী, কবি, ঠাকুরদা প্রমুখ চরিত্রকে রেখে তাঁর নিজস্ব বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দাদাঠাকুরের ক্ষেত্রেও তা ঘটেছে।

প্রথম যূনক দাদাঠাকুরকে উদ্দেশ্য করে মহাপঞ্চকে বন্দি করার কথা বলেছিলেন। সেই প্রসঙ্গে প্রশ্নের উদ্ধৃত উক্তি দাদাঠাকুর উল্লেখ করেন।

দাদাঠাকুরে নেতৃত্বে যূনকরা অচলায়তনের প্রাচীর ভেঙে ফেলার পর একে একে সকলেই সেই পরিবর্তনকে মেনে নেয়। বাইরের আলো, বাতাস বা পাখির ডাকে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠে ছেলের দল চায় ছুটে বেড়াতে। আকাশের নীলিমায় মুগ্ধ ও রোমাঞ্চিত হয়ে ওঠে তারা।

কিন্তু মহাপঞক কিছুতেই তার সংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসকে অতিক্রম করতে পারে না। মহাপঞক আপাতভাবে শাস্ত্র-নির্ভর প্রথাসর্বস্ব জীবনের অনুসারী। যুক্তি-তর্ক তাঁর অচল, বিশ্বাস আর সংস্কারের দাসত্বই একমাত্র সত্য। তিনি বলেছেন—

“পাথরের প্রাচীর তোমরা ভাঙতে পরো, লোহার দরজা তোমরা খুলতে পারো, কিন্তু আমি আমার ইন্দ্রিয়ের সমস্ত দ্বার রোধ করে এই বসলুম”।


মহাপঞ্চকের এই বক্তব্য প্রমাণ করে, তিনি সংস্কারকেই ধর্ম বলে মনে করেন। তাঁর কাছে জ্ঞান-বিজ্ঞান কিংবা স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার কোনো জায়গা পায় না। এজন্যে তাঁর সম্পর্কে দাদাঠাকুর এই মন্তব্যটি করেছেন।



--------------------------

আরো প্রশ্ন দেওয়া হবে

----------------------------



-------------------------------------------
--------------------------------------------

  



পিডিএফ লিঙ্ক নিচে 






✅ Go Home Now ✅




আমাদের টেলিগ্রাম ও ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হোন




Next Post Previous Post
1 Comments
  • Unknown
    Unknown April 1, 2022 at 7:46 PM

    দারুন

Add Comment
comment url